রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:৩৩
শিরোনাম :
রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা আনসার মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে সেরা গোলকিপার রিয়াদ হোসেন পতিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ বরিশালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১০ টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই

সৌদি যুবরাজ ‘পুরাই গুন্ডা’ বনে গেছেন

মার্কিন আইনপ্রণেতারা সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ‘পুরাই গুন্ডা’ বনে গেছেন বলেও তাঁরা মন্তব্য করেছেন।

গতকাল বুধবার মার্কিন সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটির এক শুনানিতে সিনেটররা সৌদি যুবরাজকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

সৌদি আরবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীত প্রার্থীর পদ নিশ্চিতকরণে সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটিতে গতকাল শুনানি হয়।জেনারেল জন আবিজাইদকে (অব.) সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁর এই মনোনয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শুনানি হয়।

শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যকার জোরালো সম্পর্কের পক্ষে সাফাই করেন জন। তবে শুনানিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তোলেন। এ সময় তাঁরা সৌদি যুবরাজের সমালোচনা করেন।

শুনানিতে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি রিপাবলিকান সিনেটররাও উপস্থিত ছিলেন। ইয়েমেন যুদ্ধে ভূমিকা, আগ্রাসী কূটনীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁরা সৌদি আরবের নিন্দা করেন।

শুনানিতে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যার বিষয়টি উঠে আসে। এই হত্যার ঘটনায় সৌদি আরবের জবাবদিহির পক্ষ মত দেন জন।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রাষ্ট্রদূত নেই। দেশটিতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের লক্ষ্যে জনকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প।

সিনেটের ফরেন রিলেশনস কমিটির শুনানিতে জন বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো ও পক্ব অংশীদারত্ব দরকার। মার্কিন স্বার্থেই এই সম্পর্ক অটুট করা প্রয়োজন।

শুনানিতে আইনপ্রণেতারা সৌদি যুবরাজের কড়া সমালোচনা করেন। অনেকে তাঁকে খাসোগি হত্যার জন্য দায়ী করেন। তাঁর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন।

কমিটির চেয়ারম্যান ও রিপাবলিকান সিনেটর জিম রিশ বলেন, সৌদি আরব যেসব কাজ করছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিও বলেন, মোহাম্মদ বিন সালমান পুরোপুরি গুন্ডা বনে গেছেন। অপর সিনেটর রন জনসনও একই কথা বলেন।